গুগল অ্যাডসেন্স অপ্রুভাল গাইডলাইন প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত

গুগল অ্যাডসেন্স অপ্রুভাল গাইডলাইন প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত

গুগল অ্যাডসেন্স বা Google AdSense বর্তমান সময়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি মাধ্যম অনলাইনে আয় করার ক্ষেত্রে। আজকের আর্টিকেলে কিভাবে গুগল অপ্রুভাল করাবেন সে সম্মপর্কে পুরোপুরি ধারণা দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ। আশা করবো এই লিখা বা আর্টিকেলটি পড়লে সবকিছুিই পরিস্কার বুঝতে পারবেন।

গুগল অ্যাডসেন্স
অ্যাডসেন্স (ইংরেজি: AdSense) গুগল পরিচালিত একটি ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন। এটি মূলত একটি লাভ-অংশিদারী প্রকল্প যার দ্বারা ব্যবহারকারী তার ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত বিজ্ঞাপনের বিষয়বস্তু থেকে অর্থ উপার্জন করতে সক্ষম হন।

গুগল অ্যাডসেন্স এর প্রথম থেকে শেষ

আমি পোস্টটাকে কয়েকটা ধাপে আলোচনা করার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ। আশা করি প্রতিটি ধাপগুলো ঠিকমত মেনে চললেই গুগল অ্যাডসেন্স আপনার জন্য সহজ হয়ে যাবে। নিচে ধাপগুলোর বর্ণনা করা হলো।

প্রথম ধাপঃ- ডোমেইন, ব্লগার, ওয়ার্ডপ্রেস ও হোস্টিং সংক্রান্ত বিষয়

প্রতিটি বিষয়গুলো অনেক জরুরী। জেনে বুঝে অবশ্যই করতে হবে। যেমন,

১. ডোমেইন সংক্রান্ত বিষয় 

অবশ্যই প্রফেশনালভাবে কাজ করার জন্য আপনাকে ভালো কম্পানির ডোমেইন ও ভালো এক্সটেনশানযুক্ত ডোমেইন নির্বাচন করতে হবে। যেমন, .COM ডোমেইন ব্যবহার করতে পারেন। কম অক্ষরের ডোমেইন সবচেয়ে বেশি ভালো আর ডোমেইন যেন ট্রান্সফার করতে পারেন বা কনন্টোল করতে পারেন সেটাও দেখতে হবে আপনাকে কেনার আগে।

ডোমেইনের কম দাম দেখে না কেনাই ভালো। আর আপনি যদি শুধু গুগল অ্যাডসেন্স নিয়ে কাজ করেন তাহলে যে কোন ডোমেইন নিয়ে কাজ করতে পারেন। এখানে .COM ডোমেইনের দামও বেশি পাওয়া যায় সেল করার সময়।

২. ব্লগার নাকি ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে সাইট বানাবেন ?

এটা অনেক জরুরী একটি বিষয়। আপনি যদি দীর্ঘমেয়াদী কাজ করতে চান তাহলে অবশ্যই ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহার করেন। আর যদি কম সময়ের জন্য করতে চান তাহলে ব্লগারে করেন। পার্থক্য হলো ব্লগারে খরচ কম ফ্রি হোস্টিং হওয়ার কারণে আর ওয়ার্ডপ্রেসে খরচ বেশি।

তবে এসইও করার দিক থেকে ওয়ার্ডপ্রেসে তৈরি করার সবচেয়ে ভালো হবে। অনেক কম্পানি কম খরচে হোস্টিং সুবিধা দেয়। আর আপনি যদি নতুন হয়ে থাকেন তাহলে অবশ্যই ওয়ার্ডপ্রেসে করবেন। প্রথমে সমস্যা হলেও শিখতে পারবেন।

কারণ বর্তমানে ব্লগারে পোস্ট ইনডেক্স সহ কিছু সমস্যা দেখা যাচ্ছে।

৩. হোস্টিং সংক্রান্ত বিষয় জেনে নিন

গুগল অ্যাডসেন্স নিয়ে কাজ করলে মাসিক হিসেবে কিছু সাইট হোস্টিং সুবিধা দেয় সেটা নিতে পারেন। আর যদি আপনি ব্লগারে কাজ করেন তাহলে হোস্টিং লাগবে না। তবে আমার দেখা কম দামের ও দেশীয় কিছু হোস্টিং আছে যেগুলোতে সাইট রাখলে পরে সমস্যা হয়।

আপনি যে কোন গ্রুপে রিভিও জেনে নিয়ে তারপর হোস্টিং নিতে পারেন। তবে পেইড ট্রাফিক নিয়ে কাজ করতে চাইলে অবশ্যই আপনাকে ভালো মানের আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ নিতে হবে। নরমাল হোস্টিং এ সাইট রাখলে ডাউন হতে পারে ট্রাফিক বেশি আসলে।

দ্বিতীয় ধাপঃ- নিশ, ভাষা, ক্যাটাগোরি ও কীওয়ার্ড সংকান্ত বিষয়

এগুলো অনেক জরুরী প্রফেশানভাবে কাজ করার জন্য। আপনি প্রফেশনাভাবে কাজ শিখলে পরে যে কোন সমস্যা হলে সমাধান করতে পারবেন। আর প্রফেশনাল না হলে সমস্যাগুলো ফিক্সড করতে পারবেন না সহজে।

১. নিশ ও ভাষা কিভাবে নির্বাচন করবেন ?

আপনি যদি নতুন হয়ে থাকেন তাহলে আমি বলবো আপনি যেই ভাষাতে সুবিধা মনে করেন সেটাতেই করেন। কারণ আপনি আয় করার জন্য অনেক সময় পাবেন কিন্তু শেখার জন্য বেশি সময় দিতে হবে আপনাকে শুরুতে।

যেমন, আপনি বাংলা কাজ শুরু করলেন পরে যখন সাকসেস হলেন, তারপর আপনি সাবডোমইন তৈরি করে ইংরেজী নিয়েও কাজ করতে পারবেন। যেটা আপনার জন্য সবচেয়ে ভালো হবে। তবে আয় এর চিন্তা শুরুতেই মাথায় আসলে আপনি ভালো করতে পারবেন না কখনই।

২. ক্যাটাগোরি ও কী-ওয়ার্ড সংক্রান্ত বিষয় 

 

 

 

শেষ কথা বা উপসংহার

আশা করি গুগল অ্যাডসেন্স সম্পর্কে আপনাদের পরিস্কার একটা ধারণা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.