Blogging Guideline বা ব্লগিং এর সংক্ষিপ্ত গাইডলাইন (A To Z)

ব্লগিং এর সংক্ষিপ্ত গাইডলাইন

ব্লগিং এর সংক্ষিপ্ত গাইডলাইন

Blogging Guideline বা ব্লগিং এর সংক্ষিপ্ত গাইডলাইন নিয়েই মূলত এই আর্টিকেলটি। আশা করবো একটা সংক্ষিপ্ত হলেও ধারণা পাবেন এখান থেকে।
*
ব্লগিং এর সংক্ষিপ্ত গাইডলাইন
ব্লগিং এর সংক্ষিপ্ত গাইডলাইন
ব্যস্ততার কারণে ডিটেলস লিখছি না তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি যেসব বিষয় সেগুলো নিচে পয়েন্ট আকারে উল্লেখ করছি। তবে কেউ কোন পয়েন্ট বুঝতে না পারলে জানাবেন। অবশ্যই সময় দিতে হবে কারণ নিজের ব্যস্ততার পরে জানাতে পারবো।
*
(ক) প্রথম আপনি ব্লগিং কি ? কাকে বলে ? কেন করবেন আর কিভাবে আয় হয় এসব তথ্যগুলো ইউটিউব এবং ব্লগিং গ্রুপ থেকে জেনে নিন।
*
(খ) তারপর অবশ্যই নিজের নরমাল হলেও পিসি বা ল্যাপটপ এবংইন্টারনেট রাখবেন। বাংলা লিখতে জানতে হবে ইংরেজী পারলেও ভালো।
*
(গ) তারপর দুইটা ডোমেইন অবশ্যই Dot COM নিবেন এবং কিনে ব্যবহার করবেন। আরও বেশিও করতে পারেন। একটা ব্লগারে এবং একটা ওয়ার্ডপ্রেসে শুরু করবেন।
*
*
(ঘ) ডোমেইন কেনার সাথে সাথেই পোস্ট করবেন না। তারপর সময় নিয়ে কীওয়ার্ড যার ধারণা এই গ্রুপ বা ইউটিউব থেকে পাবেন। তারপর সেটিং ঠিক হলে পোস্ট শুরু করুন।
*
(ঙ) মিনিমাম ১০ টা পোস্ট হলে সার্চ কনসোল সহ যাবতীয় সেটিং এর কাজ করুন তার আগে না করাই বেস্ট। পোস্ট লিখার পদ্ধতির জন্য আপনি অন্য ব্লগার ওয়েবসাইট দেখে নিতে পারেন।
*
*
(চ) সতর্কতার মধ্যে অন্যতম হলো, কনটেন্ট কপি করবেন না, ইমেজ কপি না কর ক্যানভার ফ্রি ব্যবহার করবেন।
*
(ছ) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো একজন মেন্টর রাখা। যে কেউ হতে পারে আপনি আপডেট এবং ধাপগুলো চেক করে নিবেন তার থেকে।
*
(ঝ) ডোমেইন এর বিপরীতে একটা পেজ, টুইটার, সহ যাবতীয় সামাজিক মাধ্যম করে পোস্ট করার পর শেয়ার করে রাখবেন। ভিজিটর না জাস্ট শেয়ার করবেন।
*
(ঞ) ৩০ হাজার + শব্দ হলে আবেদন করবেন এবং সমস্যা হলে ঠিক করে আশা করি কোন ধরনের কপি বা গুগল পলিসি না থাকলে অপ্রুভ হয়ে যাবে। তারপর সেটা সেলও করতে পারবেন আবার নিজে কাজ করতে হলে কনটেন্ট দিতে থাকবেন নিয়মিত।
*
*
(ট) এসইও এর বেশ কিছু পর্যায় থাকলেও আমি ভালোটা বলতেছি। আপনি একটা সাইট রেখে বাকি গুলো পিনভেরিফাই করে সেল করলে বেশি লাভজনক হবে। কারণ বাংলা হলে আপনি বেশি আয় করতে পারবেন না। তবে সাব ডোমেইন করে বিভিন্ন ভাবে আয় করতে পারবেন যেটা আপনি নিজেই ততদিনে বুঝে যাবেন আশা করি।
*
*
(ঠ) থিম ওয়ার্ডপ্রেস হলে ফ্রি আর ব্লগার হলে SEO PRO বেস্ট হবে। সেটিং বা ছোট ছোট সমস্যা গ্রুপেই সমাধান পাবেন আশা করি।
*
(ড) প্রথমে আপনি যেসব সমস্যা পড়বেন সেগুলো গ্রুপে শেয়ার করুন। আশা করি অনেকেই চেষ্টা করলে সহযোগীতা করবে। আর না করলে আমাকে জানাবেন আমি সময় করে অবশ্যই জানানোর চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।
*
*
(ঢ) অ্যাডসেন্স পাওয়ার পর কিভাবে আয় করবেন এখানে সেগুলো দেখানো বা বলা হয় নাই। আপনাদের আগ্রহ থাকলে সেগুলো আলোচনা করা হবে পরবর্তীতে ইনশাআল্লাহ। তবে এক্সট্রা যেসব লিংক আছে সেগুলোও পড়তে পারেন সময় করে। সবগুলো মিলে আশা করি পরিপূর্ণ একটা সংক্ষিপ্ত ধারণঅ পাবেন ব্লগিং নিয়ে।
*
*
(ণ) সবশেষে যদি সারাংশ বলি তাহলে বলবো, ব্লগিং অনেক ধৈর্য্য নিয়ে শুরু করতে হবে। আর এখানে একজন ভালো মেন্টরের সাথে যুক্ত থেকে কাজ করলে আশা করি সফল হওয়া যাবে।
খরচ এর ক্ষেত্রে বলবো আপনি ৩-৪ হাজার টাকা বা কমবেশি খরচ করতে পারবেন। তবে সফল হবেনই এই আত্মবিশ্বাস নিয়েই শুরু করবেন ইনশাআল্লাহ।
*
উপরে আমি সংক্ষিপ্ত জাস্ট পয়েন্টগুলো আলোচনা করেছি। বিস্তরিত আপনারা কোন বিষয় হলে সেটা ইউটিউব বা বিভিন্ন গ্রুপে পোস্ট করলে অনেক বেশি সহযোগীতা পাবেন ইনশাআল্লাহ। আর অবশ্যই আপডেট নেওয়া বা থাকার জন্য ভালো কোন গ্রুপের সাথে যুক্ত থাকবেন।
অনলাইনে একা কাজ করা বোকামী। তবে নিজের অবস্থা বুঝে একটা গ্রুপিং এর মাধ্যমে করলে অনেক কিছু শেখা ও জানা যায় এবং সফল হওয়া যায় অনেক সহজেই।

One Comment on “Blogging Guideline বা ব্লগিং এর সংক্ষিপ্ত গাইডলাইন (A To Z)”

Leave a Reply

Your email address will not be published.